গ্রেফতার হলেন কিউকমের সিইও, ডিবিতে পাওনাদার

৪ অক্টোবর, ২০২১ ১৫:০৩  
কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। পুলিশ বলছে, বিভিন্ন অফারের মাধ্যমে কিউকম কম দামে মোটরসাইকেল বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দিতো, বাজারে যেই মোটরসাইকেলের দাম ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা, সেই মোটরসাইকেল তারা ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দিত। এভাবে কিউকম তার গ্রাহকদের ৩৯৭ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। ডিবি জানিয়েছে, কিউকমের সিইও গ্রেফতারের পর ভুক্তভোগীদের অনেকেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেছেন সৌরভ দে। মামলার এজাহারে তিনিসহ ১৫ জনের নাম ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিউকম থেকে তাদের পাওনার পরিমাণ তিন কোটি ৩০ লাখ ৩৯ টাকা। পল্টন থানায় রিপনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও প্রতারণা মামলা রয়েছে। সেই সূত্রে তাকে রোববার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি থেকে আটক করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার কে এম হাফিজ আক্তার। হাফিজ আক্তার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে এসক্রো সিস্টেম চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে ক্রেতার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে জমা থাকে। কিউকমের পে-মেন্ট গেটওয়ে ছিল ফস্টার। এই পদ্ধতিতে কিউকম ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে চালানসহ ডকুমেন্ট ফস্টারে জমা দিচ্ছিল। পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ক্রেতা কিউকমকে টাকা দিত। ক্রেতা পণ্য বুঝে না পেলে ফস্টার কর্তৃপক্ষ কিউকমের টাকা আটকে দেয়। এতে ক্রেতা পণ্য বা টাকা কোনোটিই পায়নি। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেছেন, জমা টাকা থেকে কিউকমের গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পেতে পারেন। তবে এর বাইরেও মোটরসাইকেল দেওয়ার কথা বলে কিউকম ২৫০ কোটি টাকা মেরে দিয়েছে বলে রিপন জানিয়েছেন।